মার্টিনগেল কৌশল হলো সবচেয়ে পরিচিত রুলেট কৌশল। নিয়মটি সহজ — প্রতিবার হারলে বেটের পরিমাণ দ্বিগুণ করুন। যখন জিতবেন, তখন সব হারানো টাকা একসাথে ফিরে আসবে এবং একটু লাভও হবে।
উদাহরণ: ৳১০০ দিয়ে শুরু করলেন, হারলেন। পরের বেট ৳২০০, আবার হারলেন। পরের বেট ৳৪০০ — এবার জিতলে মোট ৳৮০০ পাবেন, যা আগের সব হার (৳৩০০) পুষিয়ে দেবে এবং ৳১০০ লাভ থাকবে।
r7777-এ এই কৌশল ব্যবহার করলে মনে রাখবেন — টেবিলের ম্যাক্সিমাম বেট লিমিট আছে। পরপর অনেকবার হারলে বেটের পরিমাণ সেই সীমা ছাড়িয়ে যেতে পারে। তাই বড় ব্যাংকরোল ছাড়া এই কৌশল ঝুঁকিপূর্ণ।
ফিবোনাচি কৌশল গণিতের বিখ্যাত ফিবোনাচি সিকোয়েন্স অনুসরণ করে: ১, ১, ২, ৩, ৫, ৮, ১৩, ২১... প্রতিটি সংখ্যা আগের দুটির যোগফল।
হারলে সিকোয়েন্সের পরের সংখ্যায় বেট বাড়ান, জিতলে দুই ধাপ পিছিয়ে আসুন। মার্টিনগেলের চেয়ে ধীরে বাড়ে বলে ব্যাংকরোলের উপর চাপ কম। r7777-এ ইভেন মানি বেটে (লাল/কালো) এই কৌশল বেশি কার্যকর।
এই কৌশলের সুবিধা হলো দীর্ঘ হারের ধারায়ও বেটের পরিমাণ খুব বেশি বাড়ে না। তবে জেতার পরে দ্রুত লাভ তুলে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ।
ডি'আলেম্বার্ট কৌশল সবচেয়ে রক্ষণশীল পদ্ধতিগুলোর একটি। হারলে বেট এক ইউনিট বাড়ান, জিতলে এক ইউনিট কমান।
ধরুন বেস বেট ৳১০০। হারলে ৳২০০, আবার হারলে ৳৩০০। জিতলে ৳২০০-তে নামুন। এই পদ্ধতিতে বেটের পরিমাণ ধীরে পরিবর্তন হয়, তাই ব্যাংকরোল দীর্ঘস্থায়ী হয়।
r7777-এ নতুন খেলোয়াড়দের জন্য এই কৌশল বিশেষভাবে উপযুক্ত। ঝুঁকি কম, খেলার সময় বেশি এবং অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ বেশি।
জেমস বন্ড কৌশল একটু ভিন্ন ধরনের — এতে একসাথে টেবিলের বড় একটি অংশ কভার করা হয়। মোট বেটের ৭০% ১৯–৩৬-এ, ২৫% ১৩–১৮-এ এবং ৫% শূন্যতে রাখুন।
উদাহরণ: ৳২০০০ মোট বেট হলে — ৳১৪০০ হাই নম্বরে, ৳৫০০ মিড রেঞ্জে, ৳১০০ শূন্যতে। শুধু ১–১২ পড়লে হারবেন, বাকি সব ক্ষেত্রে জিতবেন।
r7777-এ এই কৌশল হাই-রোলারদের মধ্যে জনপ্রিয়। বড় ব্যাংকরোল থাকলে এটি বেশ কার্যকর হতে পারে।